বেক্সিমকোর গ্রিন সুকুক রূপান্তরে ১৮ আবেদন

বেক্সিমকো লিমিটেডের গ্রিন সুকুক আল ইসতিসনার চতুর্থ বছরে ১৭ জন সুকুকধারী ২০ শতাংশ ও একজন সুকুকধারী ৮০ শতাংশ সুকুক রূপান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।

বেক্সিমকো লিমিটেডের গ্রিন সুকুক আল ইসতিসনার চতুর্থ বছরে ১৭ জন সুকুকধারী ২০ শতাংশ ও একজন সুকুকধারী ৮০ শতাংশ সুকুক রূপান্তরের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনকারীদের নামে মোট ৬৪০টি সুকুক রয়েছে। যার মধ্যে ৩৫০টি সুকুক বেক্সিমকো লিমিটেডের ৪২০টি সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতি শেয়ারের মূল্য ৮২ টাকা ৫৮ পয়সা। রূপান্তর প্রক্রিয়া শেষে বাজারে মোট ২৮ কোটি ৯ লাখ ২৪ হাজার ২৬৩টি সুকুক অবশিষ্ট রয়েছে। সুকুকটির ট্রাস্টি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) জানায়, ২২ ডিসেম্বর বেক্সিমকোর গ্রিন সুকুকের রেকর্ড ডেট ছিল। এর মধ্যে সুকুকধারীরা সুকুক রূপান্তরের জন্য আবেদন করেছেন।

বেক্সিমকো সুকুকের ট্রাস্টি আইসিবি চতুর্থ বছরের দ্বিতীয় অর্ধবছরে (২৩ জুন ২০২৫ থেকে ২২ ডিসেম্বর ২০২৫) ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ রিটার্ন ঘোষণা করেছে। এর আগে তৃতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর, দ্বিতীয় বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় অর্ধবছর এবং প্রথম বছরের দুই অর্ধবছরে ঘোষিত মুনাফা বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।

পাঁচ বছর মেয়াদি সুকুকটির রিটার্ন ছয় মাস অন্তর দেয়া হয়। এক্ষেত্রে রিটার্ন নিধারণ করা হয় ৯ শতাংশ ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে মুনাফা মার্জিন যোগ করে। বেক্সিমকো লিমিটেডের আগের বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ঘোষিত লভ্যাংশ ও ভিত্তিমূল্যের ব্যবধানের ১০ শতাংশ মার্জিন হিসাবে নির্ধারণ করা হয়। যদি লভ্যাংশের হার ভিত্তিমূল্যের সমান বা কম হয়, সেক্ষেত্রে ভিত্তিমূল্যের হিসাবে রিটার্ন দেয়া হয়। আর লভ্যাংশ ৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৭৭৯তম কমিশন সভায় বেক্সিমকো লিমিটেডের সুকুকটি অনুমোদন করা হয়। গত বছরের এপ্রিলে বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩ হাজার কোটি টাকার সুকুক ইস্যুর পরিকল্পনায় অনুমোদন দেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক আল ইসতিসনা শরিয়াহভিত্তিক বন্ডটির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বেক্সিমকো লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি তিস্তা সোলার লিমিটেড ও করতোয়া সোলার লিমিটেডের নির্মাণকাজে ব্যয় করা হবে। এছাড়া বেক্সিমকোর বস্ত্র খাতের ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা এবং পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে এ অর্থ ব্যবহার করা হবে। বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক ট্রাস্ট নামে স্পেশাল পারপাস ভেহিকলের (এসপিভি) মাধ্যমে এ সুকুক ইস্যু করা হয়।

আরও